ওমিক্রনের ৫ চিহ্ন, অবহেলা কইরবের নন


স্বাস্থ্য ডেস্ক
করোনাভাইরাসের নয়া ভেরিয়েন্ট ওমিক্রনকে 'উদ্বেগজনক' কইছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। বিভিন্ন সংস্থা নয়া এই রূপটির সংক্রমণযোগ্যতার পাহে ওমরা ইশারা কইরচে। যদিও ভাইরাসটার খুব সংক্রমণের উপরে ভাইরাসের কারণে মৃত্যুর হার ঠিক করে। এইটার বিপজ্জনক পাক হইল এইটার তীব্রতা। 

ডেল্টা ভেরিয়েন্ট সারা দুনিয়াত মহামারি ফেলাইছে। এটা খালি সেই সংক্রামক নোয়ায়; সেই রকম জ্বর, কাশ, দম নেওয়ার কষ্ট, বুকত ব্যথা আর রক্তত অক্সিজেনের মাত্রা কমি যাওয়া পর্যন্ত হালকা থাকি গুরুতর লক্ষণগুলাক নির্দেশ করে। 

এইটা 'হালকা' হবে?
নয়া স্ট্রেনের স্পাইক প্রোটিন ৩০ বারেরও বেশি নিজক বদল করে। যেটা ফির আগের অইন্য স্ট্রেনের মতো নোয়ায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করে, এইটা ভ্যাকসিন প্রতিরোধক্ষমতাক এড়ে যাবার পায়। এই জন্যে এইটা দাবানলের নাহান ছড়ে গেইছে। 

এই পর্যন্ত সারা দুনিয়াত যে ওমিক্রন ধরা পইড়চে তাক 'হালকা' কওয়া হবাইনচে। কিন্তু  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) পরামর্শ দিব্যাইনচে, নয়া রুপ সহজে তামাকও সংক্রমিত কইরব্যার পায় যামরা ইয়্যার আগত ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হছিল বা সোগ টিকা (বুস্টার ডোজ সুদ্ধে) নিছে। এইপাহে গ্লোবাল হেলথ এজেন্সি কইছে- ডেল্টার চাইতে এইটা হালকা হইবে। 

ওমিক্রনে যে নয়া চিহ্নগুলা দেহা যাবাইনচে তাতে
ক্লান্তিবোধ 
আগের ভেরিয়েন্টটার নাহানে, কভিডের ওমিক্রন ক্লান্তি বা চরম ক্লান্তির কারণ হবার পায়। একটা মানুষ অতিরিক্ত হাপসি যাবার পায়, শক্তি কম কম ঠেইকপ্যার পায় এবং তাই বারে বারে জিড়বার চাবার পায়। এই জন্যে তার পত্যিদিনের কাজকামের ঝামেলা হবার পায়। 

তবে এইটা কথাও খেয়াল আইকপেন, খালি কভিডের জন্যে নোয়ায় অন্য কারণেও এবং স্বাস্থ্যের সমস্যার জন্যও যার কারো ক্লান্তি বোধ হবার পায়। তোমার শরীলের অবস্থা ঠিক করি জাইনতে পরীক্ষা করি নেন। 

রোগীরঘর 'খসখসা গালায়' কথা কয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার ডাক্তার অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজ কয়, ওমিক্রন সংক্রমিত মানুষ গালা ব্যথায় না ভুগি 'খসখসা গালায়' কথা কয় । যেটা অস্বাভাবিক। আগেরটা গালার জ্বালার সাথত সম্পর্কযুক্ত আর নয়াটা আরো বেদনাদাময়। 

হালকা জ্বর, একলায় একলায় সারি যায়।
নভেল করোনাভাইরাস শুরু হবার পর থাকিয়্যা হালকা থাকি মাঝারি জ্বর হইল কভিডের বড় একটা চিহ্ন। কিন্তু আগের স্ট্রেনের জ্বর রোগীরঘরে উপরে লম্বা প্রভাব ফেলাইলেও ডা. কোয়েটজি কয়- বর্তমান ভেরিয়েন্টটা গাত হালকা তাপমাত্রা আনে, আবার একলায় একলায়  চলি যায়। 

রাইতত ঘাম এবং গাত বিষ।
দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরেকটা আপডেটত জানা যায়, ডা. উনবেন পিলে রোগীরঘরে চিহ্নগুলার লিস্ট বানাইচে। তিনি কয়, রাইতের ঘাম ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের বড় চিহ্ন হবার পায়। রাইতত এত ঘাম হবার পায় যে যদি তোমরা ঠান্ডা জাগাতও শুতি থাকেন, তাও তোমার কাপড় আর বিচনা ভিজি যায়। ডাক্তার কয়, এইটা 'প্রচুর গার বিষ' অন্য চিহ্নগুলার সাথত দেহা দিব্যার পায়। 

শুকান কাশ।
ওমিক্রন আক্রান্ত মানুষের মাঝত শুকান কাশও দেহা যাবার পায়। এইটা আগের স্ট্রেনের মাঝতও সবচেয়ে সাধারণ চিহ্নগুলার মধ্যে একটা আছিল। 

নয়া প্রমাণগুলা দেহি বোঝা যায়, ওমিক্রন খালি হালকা চিহ্নগুলাতেই আপাতত সীমাবদ্ধ থাইকপেইনচে। আগের ভেরিয়েন্টের চিহ্নগুও উল্টাপাহে ওমিক্রনে গন্ধ বা স্বাদ হারে ফেলার কোনো লক্ষণ দেহা যাবাইনচে না। সেই সাথে এটাত নাক বন্ধ হয়া যাওয়ারও কোনো ঘটনা ঘটে নাই।

সূত্র : মিন্ট

হামার বাও // মামুন

Post a Comment

Previous Post Next Post