‘চিরঞ্জীব মুজিব’ পত্তম দিনত ধুমধাড়াক্কা চইলবেইনচে

চিরঞ্জীব মুজিব।। হামার বাও
মামুনুর রশীদ মামুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ নিয়ে বানা ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবিখ্যান শুক্করবার বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্সত নাইগচে। বৈকাল তিনটায় মধুবন সিনেপ্লেক্সের পর্দাত ছবির সর্বপত্তম শোত ছবিখ্যান দেইখপ্যার ম্যালা দর্শক আসছিলো । সইন্ধ্যা ছয়টার শোতেও এহে অবস্থা। 
৩৪৫ চেয়ারের এই সিনেপ্লেক্সত ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবির পত্তম দিন সোগ শো আছিল ৮০ পার্সেন্ট  ‘হাউসফুল’। বঙ্গবন্ধুক নিয়ে বা ছবিখ্যান দেইখপ্যার ম্যালাদিন পর এত মানুষ আসায় খুশি  মধুবন কর্তৃপক্ষ। সিনেপ্লেক্সটার মালিক আর এম ইউনুস কয়, পত্তম দিন বেলা তিনটা আর সন্ধ্যা ছয়টা তো হয়, রাত নয়টার শোরও প্রায় সোগ টিকিট আগাম বেচি হয়া গেইছে। 
আরেকপাহে মধুবন সিনেপ্লেক্সত পত্তম শোর আগত বেলুন উড়ি দিয়ে ছবির শুভ মুক্তির ঢোলাই দিছে ছবিখ্যানের পরিচালক নজরুল ইসলাম। সেই সমায় ছবিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাজা অভিনেতা আহমেদ রুবেল, ছবির সৃজনশীল পরিচালক জুয়েল মাহমুদ, প্রযোজক লিটন হায়দার সুদ্ধে ছবির সাথে জড়িত মানুষগুলা উপস্থিত আছিল। 
ইয়ার আগত ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবি বগুড়াত শুভ মুক্তি নিয়ে শুক্ক্রবার সকালত বগুড়া শহরত মিছিল বের করা হয়। বগুড়া জিলা স্কুল চত্বর থাকি মিছিল বের হয়া বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) মহাস্থান এলাকার সদস্যরঘর ছাড়াও এই মিছিলত ছবির পরিচালক নজরুল ইসলাম, সৃজনশীল পরিচালক জুয়েল মাহমুদ, বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক, পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান অংশ নেন। 
বগুড়ার পরে একের পর গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর শহরে ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবিটা মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চইলবেইনচে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর তাঁর ছোট বোইন শেখ রেহেনা নিবেদিত  ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবিত বঙ্গবন্ধু সাইজছে আহমেদ রুবেল। বেগম ফজিলাতুন্নেছা সাজিছে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা আর বঙ্গবন্ধুর বাপ ও মাও সাইজছে খায়রুল আলম সবুজ ও দিলারা জামান। আরও ম্যালা চরিত্রে আছে প্রয়াত এস এম মহসীন, নরেশ ভূঁইয়া, শতাব্দী ওয়াদুদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, আরমান পারভেজ মুরাদ, কায়েস চৌধুরী, আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরী সুদ্ধে আরও প্রায় পাঁচ শোর বেশি শিল্পী। ছবিখ্যান প্রযোজনা কইরচে লিটন হায়দার। গান-বাজনার পরিচালক আছিল ইমন সাহা। ছবির গানগুলা কইছে সাবিনা ইয়াসমীন, কুমার বিশ্বজিৎ, কোনাল, নোলক বাবু, কিরণ চন্দ্র রায়।
শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ১৯৪৯ থাকি ১৯৫২ সাল; মানে ভাষা আন্দোলনের উপরে ছবিখ্যান বানা হইছে। এই ছবিটার পরিচালক নজরুল ইসলাম কইছে, বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী নিয়ে বানা ছবির পত্তম পর্ব ‘চিরঞ্জীব মুজিব’ ছবিখ্যানত ইতিহাসের সমায়গুলা ফুটি তোলাতে পুরান দিনের গাড়ি, পুরান ট্রেন, পুরান বাড়ি বানে শুটিং করা হইছে। বানাইয়া কইছে, এই ছবিখ্যানের পরের পর্ব  বানার কাজকাম শুরু হইছে। গবেষণার কাম চইলবেইনচে। তারপাচোত স্ক্রিপ্ট আর সংলাপ ঠিকঠাক হইলে ওখান ছবিরও শুটিং করা হইবে।

হামার বাও // জরীফ

1 Comments

Previous Post Next Post